নিহত কাজী হারুন অর রশিদ তার বাড়ি থেকে পায়ে হেটে ওই টিকা কেন্দ্রে আসেন। পরে টিকা গ্রহনের পর কেন্দ্রের ভিতরে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। বিশ্রাম নেয়ার কিছু সময় পরে সে অসুস্থ হয়ে পরেন। এসময় তার শরীরে হঠাৎ কাঁপুনি শুরু হয়। সে পানি খেতে চাইলে তাকে পানি পান করানো হলে সে মাটিতে ঢলে পরে।
এসময় বৃদ্ধের স্বজনরা তাকে তাড়াহুড়ো করে নিকটস্থ রুহিতপুর এলাকায় একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরন করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পরে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
নিহত কাজী হারুন অর রশিদ এর চাচাতো ভাই মিশু জানান,তার ভাই তিন বছর আগে একবার হার্টের সমস্যা জনিত কারনে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য হন। তবে তার রক্তচাপ (প্রেসার) জনিত সমস্যা ছিলো। আজ (রোববার) সকালে বাড়ী থেকে সে টিকা নেয়ার জন্য হেঁটে খাড়াকান্দি মাদ্রাসায় টিকা কেন্দ্রে আসেন। টিকা গ্রহনের তিন চার মিনিট পরে সে অসুস্থতা অনুভব করেন। কাছে থাকা মানুষদের কাছে পানি পান করতে চান। পানি পান করার আগেই তার শরীরে কাঁপুনী শুরু হয়। পরে পানি পান করার সাথে সাথে সে মাটিতে লুটিয়ে পরে। সাথে সাথে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর কর্মকর্তা ডা. মশিউর রহমান জানান, “মৃত্যু হওয়া কাজী হারুন অর রশিদ এর আগে থেকেই প্রেসার ও হার্টের সমস্যা ছিলে। আজ সকালে তার শরীরে করোনা টিকার প্রথম ডোজ গ্রহন করার কিছুক্ষণ পর সে অসুস্থ্য হয়ে পরে। সেখান থেকে তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পূর্বেই তার মৃত্যু হয়েছে।”
তিনি আরো জানান,‘পরিবারের অনুরোধে নিহত কাজী হারুন অর রশিদ এর ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’