1. ashiqnur96@gmail.com : editor :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চিকিৎসায় অবহেলা, সিজারিয়ানের সময় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ মহানবী (সা.) ও হযরত আয়েশা (রা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ, সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:)ও হযরত পিরানে কালিয়ারি সাবের পাক (রা:) এর বাৎসরিক ওরস মোবারক অনুষ্ঠিত দয়াগঞ্জে ওরাল কলেরা টিকা খাওয়ানো ক্যাম্পেইন, বিনামূল্যে দুই ডোজ টিকা প্রদান “কেরানীগঞ্জে ইউএনওর নাম ভাঙিয়ে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ” কেরানীগঞ্জে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জশনে জুলুস কেরানীগঞ্জে আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ, পুলিশ সুপারের কাছে ভুক্তভোগীর আবেদন ঢাকা জার্নালিস্ট কাউন্সিলের উপদেষ্টা মনোনীত কবির হোসেন কবির ডিজেসির সদস্য আবু হেনা রাসেলের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও শোকসভা অনুষ্ঠিত নবাববাড়ি নাইট ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ কত, চলবে কতদিন?

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

বিশেষ প্রতিবেদন:মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে Bangladesh-এ জ্বালানি তেলের মজুত নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হলেও সরকার বলছে—দেশে এই মুহূর্তে কোনো বড় ধরনের সংকট নেই।

Bangladesh Petroleum Corporation (বিপিসি)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশে ডিজেলের মজুত রয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন। এছাড়া ৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন অকটেন, ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন জেট ফুয়েল মজুত রয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। সেই হিসেবে বর্তমান মজুত দিয়ে প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন চলা সম্ভব। তবে এ সময়ের মধ্যে নতুন চালান আসায় মজুত একেবারে ফুরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। Saudi ArabiaUnited Arab Emirates-সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি IndiaMalaysia ও Singapore থেকেও জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। সম্প্রতি এসব দেশ থেকে নতুন চালান আসায় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে।

এদিকে, সরকার বলছে—পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের পেছনে প্রকৃত সংকট নয়, বরং ‘প্যানিক বাইং’ বা মনস্তাত্ত্বিক চাপ কাজ করছে। অবৈধ মজুত ঠেকাতে ইতোমধ্যে দেশব্যাপী অভিযান চালানো হচ্ছে এবং পাম্পগুলোতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ M. Tamim বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী একটি দেশে অন্তত ৯০ দিনের জ্বালানি মজুত থাকা উচিত। তবে সংরক্ষণ সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় বাংলাদেশ সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ দিনের বেশি মজুত রাখতে পারে না।

সরকারের দাবি, মার্চ মাসের মতো এপ্রিল মাসেও জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং কোনো বড় সংকট তৈরি হবে না। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র: বিবিসি

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো সংবাদ
    © ২০২৪ বুড়িগঙ্গা টিভি কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
 
Theme Customized By BreakingNews