1. ashiqnur96@gmail.com : editor :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পূর্ব শত্রুতার জেরে কেরানীগঞ্জে প্রবাসীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ পুরান ঢাকায় মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের মায়ের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ঢাবি ভিসিকে বই উপহার দিলেন খাজা ওসমান ফারুকী ফল সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফারুক সিদ্দিকী কনোলির সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার সান্ত্বনার জয়, হোয়াইটওয়াশ হলো না নারীদের অধিকার, নিরাপদ অভিবাসন ও প্রত্যাবর্তন নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বেনজীর আহমেদ আমিরাতে গ্রেপ্তার, দেশে ফেরাতে শুরু হয়েছে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাপের ছোবল খেয়েও সেই সাপ ধরে বাড়িতে নিয়ে গেল এসএসসি পরীক্ষার্থী তুরস্ককে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু অস্ট্রেলিয়ার আওয়ামী লীগের দোসর রন্টির নিয়ন্ত্রণে ইসলাম পুরের স্ট্যান্ড!

লঞ্চ থেকে মেঘনা নদীতে পড়ে যাওয়া নারী ১০ ঘন্টা পর জীবিত উদ্ধার

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ মে, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক:  লঞ্চ থেকে মেঘনা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া জহুরা বেগম নামের নারীকে ১০ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। গতকাল বুধবার রাত ১১টায় শরিয়তপুরে চলন্ত যাত্রীবাহী লঞ্চে জেলার ঠান্ডাবাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়।

আজ দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া সহকারী রুবেল পারভেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। জহুরা বেগম গোসাইরহাটের কুচাইপট্টিতে তার স্বামী জহিরুলের সঙ্গে বেড়াতে এসেছিলেন। তারা নারায়ণগঞ্জে বসবাস করেন।

কোস্টগার্ড মিডিয়া ও গোসাইরহাট থানা পুলিশ জানিয়েছে, গোসাইরহাট-ঢাকা রুটটি দিয়ে গোসাইরহাটসহ বরিশালের মুলাদী অঞ্চলের যাত্রীরা যাতায়াত করেন। গতকাল বুধবার গোসাইরহাটের মিত্রসেন পট্টির লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া এম ভি ঈগল-৩ লঞ্চ থেকে রাত ১১টায় নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন জহুরা বেগম। লঞ্চ থেকে পড়ে যাওয়া ওই নারী একটি চরে আটকে ছিল। নিখোঁজের ১০ ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় তাকে জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। তিনি বর্তমানে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গোসাইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম শিকদার বলেন, লঞ্চ থেকে পড়ে যাওয়া নারী একটি চরে আটকে ছিল। তিনি বর্তমানে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদে জহুরা বেগম জানিয়েছেন, তিনি পানের সঙ্গে সুপারি-জর্দা বেশি খাওয়ার কারণে মাথা ঘুরে নদীতে পড়ে যান। তিনি পড়ে যাওয়ার সময় তার স্বামী জহিরুল ও সন্তান ঘুমিয়ে ছিলেন। স্বামী ও সন্তান জানতে পেরে সবাইকে জানান। এরপরই তাকে উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

 

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো সংবাদ
    © ২০২৪ বুড়িগঙ্গা টিভি কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
 
Theme Customized By BreakingNews