
সিলেট টেস্টে ব্যাট হাতে দাপট দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চতুর্থ দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে সফরকারীদের লিড দাঁড়িয়েছে ৩১৫ রানে। হাতে রয়েছে আরও সাত উইকেট। কাভেম হজের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও অভিষিক্ত কেভিন উইকহ্যামের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ম্যাচে চালকের আসনে ক্যারিবীয়রা।
রোববার (৭ নভেম্বর) চতুর্থ দিনের খেলা আলোকস্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। দিন শেষে ১৪০ রানে অপরাজিত রয়েছেন কাভেম হজ। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি। অন্যদিকে, উইকহ্যামও ব্যাট হাতে দারুণ ভূমিকা রেখেছেন। তৃতীয় উইকেটে এই দুই ব্যাটার গড়েছেন ১৬৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি।
অভিষেক টেস্টের দুই ইনিংসেই অর্ধশতক হাঁকিয়ে বিরল কীর্তি গড়েছেন উইকহ্যাম। ৪৮ বছর পর প্রথম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটার হিসেবে অভিষেকেই দুই ইনিংসে ফিফটি করার নজির গড়লেন তিনি।
দিনের শুরুতে ব্র্যান্ডন কিং ও জশুয়া দা সিলভার উদ্বোধনী জুটিতে ৮৫ রান যোগ করে ভালো সূচনা পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৩৬ রান করা দা সিলভাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। এরপর কিং ৬১ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্দান্ত ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন। ৮৪ বলের ইনিংসে ১১টি চার ও একটি ছক্কা মারেন তিনি।
এরপর হজ ও উইকহ্যামের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা। চা-বিরতি পর্যন্ত আর কোনো উইকেট না হারিয়ে লিড ২২৯ রানে নিয়ে যায় তারা। তাসকিন আহমেদের বলে কভার ড্রাইভ থেকে রান নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে এক হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন হজ।
ম্যাচের পিচ ব্যাটিংয়ের জন্য খুব বেশি কঠিন না হলেও বল কিছুটা ঘুরছে। তবে গতি কম থাকায় ব্যাটাররা নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
সোমবার শেষ দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে লিড আরও বাড়িয়ে ইনিংস ঘোষণা করার সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের জন্য ম্যাচ জেতার সমীকরণ কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে টেস্টটি ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।