
বিনোদন ডেস্ক: স্বপ্নপূরণের পথে বাধা যত বেশি থাকে, ততটাই মধুর হয় সাফল্যের স্বাদ। বিশ্বের একাধিক নামি ব্যক্তিত্বের জীবন তারই প্রমাণ। এমনই এক ব্যক্তিত্ব অমিতাভ বচ্চন। বলিউডের এ মহীরুহের আজ ৮১তম জন্মদিন। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ‘শাহেনশাহ’-এর জন্মদিনে ফিরে দেখা যাক তার জীবনের কিছু চড়াই-উতরাইয়ের কাহিনি…
অল ইন্ডিয়া রেডিও থেকে বাতিল : যার কণ্ঠস্বরে মুগ্ধ আসমুদ্রহিমাচল, যার কণ্ঠস্বরের গাম্ভীর্য মন ছুঁয়ে যায়- সেই অমিতাভকে একটা সময়ে কণ্ঠস্বরের জন্যই বাতিল হতে হয় অল ইন্ডিয়া রেডিও থেকে। যদিও পরবর্তীকালে অমিতাভের কণ্ঠে সংলাপ বা ভয়েস ওভারই মাত করেনি- তার কণ্ঠের গানও মন মজিয়েছে দর্শকের।
পরপর ১২টি ফ্লপ ছবি : যে কোনো নবাগত অভিনেতার পক্ষে ক্যারিয়ারের শুরুতেই ফ্লপ ছবি রীতিমতো ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি করে। অমিতাভের জীবনের প্রথম ১২টি ছবিই ফ্লপ হয়। তবু মুষড়ে পড়েননি তিনি। লড়াই চালিয়েছেন সমানতালে। শেষে সৌভাগ্য কড়া নাড়ে তার দরজায়। ‘জঞ্জির’ ছবির হাত ধরে আসে ক্যারিয়ারে প্রথম হিট, সাফল্যের স্বাদ পান অমিতাভ।
প্রথম ছবির পারিশ্রমিক : অমিতাভের প্রথম ছবি ‘সাত হিন্দুস্তানি’। এতে তার পারিশ্রমিক ছিল ১ হাজার টাকা। সেখান থেকে শুরু করে বর্তমানে তিনি প্রায় ২০০ কোটি টাকার মালিক।
লড়াইয়ের দিনগুলোতে যেখানে থাকতেন : মুম্বাইয়ে আসার পর জীবনের সঙ্গে বেশ সংগ্রাম করতে হয় অমিতাভকে। একটা সময় মাথা গোঁজার ঠাঁই পেতেও হন্যে হয়ে ঘুরতে হয়েছে তাকে। শেষে অভিনেতা মেহমুদ অমিতাভকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেখানেই বেশ কিছুদিন থাকেন তিনি।
আর্থিক দুরবস্থা : ক্যারিয়ারের সফরও খুব একটা সুখকর নয় অমিতাভের। নব্বই দশকের একটা সময় তার সংস্থা এবিসিএল চরম আর্থিক সংকটে পড়ে। ১৯৯৪ সালে ‘খুদা গাওয়া’ ছবির পর থেকে কার্যত নিজেকে চলচ্চিত্র থেকে গুটিয়ে নিতে থাকেন তিনি; কিন্তু বলিউডের দরকার ছিল শাহেনশাহকে। ফলে ‘বড়ে মিয়া ছোটে মিয়া’ ছবির মাধ্যমে ফের কামব্যাক করেন অমিতাভ। তার পরের অধ্যায়গুলো কতটা উজ্জ্বল- তা সবারই জানা।