1. ashiqnur96@gmail.com : editor :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মঞ্চে অভিনয়ের সময় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মাহমুদুল ইসলাম সেলিম দিল্লিতে বিরোধীদের নির্বাচন কমিশনবিরোধী মিছিল, পাল্টা কর্মসূচি বিজেপির ঢাকায় নতুন ছয় রুটে কোম্পানিভিত্তিক বাস চলাচল শুরু সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যু: বান্ধবী দিশা গ্রেপ্তার রাজনীতির সব সমস্যার সমাধান হতে হবে সংসদে: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল পটুয়াখালীর দুই কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার শূন্য, একটিতে শিক্ষক মাত্র একজন শাপলা চত্বর হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের অভিযোগ গঠনের শুনানি ১২ নভেম্বর ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ,  বিজিবি মোতায়েন পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠন অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা, নির্ধারণ হচ্ছে নিবন্ধন ফি ও গতিসীমা

পটুয়াখালীর দুই কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার শূন্য, একটিতে শিক্ষক মাত্র একজন

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
পটুয়াখালীর দুই কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার শূন্য, একটিতে শিক্ষক মাত্র একজন

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় পটুয়াখালীর দুটি কলেজ থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এর মধ্যে একটি কলেজ চলছে মাত্র একজন শিক্ষক দিয়ে। প্রতিষ্ঠানটির একমাত্র পরীক্ষার্থীও অকৃতকার্য হয়েছেন। এ ঘটনায় কলেজ দুটির শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষকসংকট ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জেলার সদর উপজেলার আউলিয়াপুরে অবস্থিত সাবিনা আক্তার স্কুল অ্যান্ড কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন একমাত্র শিক্ষার্থী আফরিন আক্তার। তবে একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি তিনি। এর আগেও এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করতে পারেননি ওই শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, ২০২৩ সালে কলেজ শাখার কার্যক্রম শুরু হয় সাবিনা আক্তার স্কুল অ্যান্ড কলেজের। তবে প্রতিষ্ঠার কয়েক বছর পার হলেও প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বর্তমানে একজন শিক্ষক দিয়েই চলছে কলেজের কার্যক্রম। প্রতিষ্ঠানটি এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। নিয়মিত পাঠদানও কার্যত বন্ধ রয়েছে।

কলেজের অধ্যক্ষ আবু তালেব জানান, তিনি ছাড়া প্রতিষ্ঠানে আর কোনো শিক্ষক নেই। এবার একজন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, কিন্তু সেও পাস করতে পারেনি। আগের পরীক্ষাতেও ওই শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

অধ্যক্ষ বলেন, প্রতিষ্ঠানটি নতুন হওয়ায় এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। এখানে তিনি ছাড়া অন্য কোনো শিক্ষক নেই। শিক্ষা কার্যক্রমও একেবারেই সীমিত। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পক্ষ থেকেও বর্তমানে তেমন কোনো কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে না।

এদিকে, একই পরীক্ষায় জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়িয়া কলেজ থেকেও কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।

সব মিলিয়ে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় পটুয়াখালীর এ দুটি কলেজের পাসের সংখ্যা শূন্য। শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠান দুটির শিক্ষকসংকট, নিয়মিত পাঠদান এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ ছাড়া কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম কতটা কার্যকরভাবে পরিচালনা সম্ভব, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো সংবাদ
    © ২০২৪ বুড়িগঙ্গা টিভি কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
 
Theme Customized By BreakingNews