1. ashiqnur96@gmail.com : editor :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কেরানীগঞ্জে ইউএনওর অভিযানে দুই শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ডিসেম্বরেই দেবীগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী ১ হাজার ৪৯২ গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ, ছুটি ঘোষণা দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’র আঘাতের আশঙ্কা, চেন্নাইয়ে স্কুল বন্ধ ও ফ্লাইট বাতিল কেরানীগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান, ১০ কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাস খাদে, আহত অন্তত ২০ কেরানীগঞ্জে ডিবির অভিযানে শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেপ্তার গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৮ ফিলিস্তিনি, শিশুও রয়েছে

কেরানীগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান, ১০ কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

 

 

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি:

বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে ঢাকার কেরানীগঞ্জে অবৈধ ওয়াশিং ও ডাইং কারখানার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

 

সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে পরিচালিত এ অভিযানে পরিবেশগত ছাড়পত্র ও বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) ছাড়া পরিচালিত ১০টি কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

 

অভিযানে ঢাকা জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, বাংলাদেশ পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ ও ডিপিডিসির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

 

পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখার পরিচালক মাহবুব জামিল অভিযানে নেতৃত্ব দেন।

 

তিনি জানান, রাজধানীর চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে বুড়িগঙ্গার তীরবর্তী এলাকায় পরিবেশগত ছাড়পত্র ও ইটিপি ছাড়া তরল বর্জ্য নির্গমনকারী ডাইং ও ওয়াশিং কারখানার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

 

মাহবুব জামিল বলেন, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও ধলেশ্বরী নদী দূষণের অন্যতম কারণ অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা শিল্পকারখানা। এসব প্রতিষ্ঠানের অপরিশোধিত বর্জ্য নদীতে ফেলার কারণে পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নদীগুলোকে দূষণমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হচ্ছে।

 

তিনি আরও জানান, গত দেড় মাস ধরে শ্যামপুর এলাকা থেকে অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু হয়। নভেম্বর থেকে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। কেরানীগঞ্জে যেসব কারখানায় অভিযান চালানো হয়েছে, সেগুলোর কয়েকটির বিদ্যুৎ সংযোগ আগেও বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। তবে সংযোগ বিচ্ছিন্নের পরও কিছু প্রতিষ্ঠান নতুন নামে বা বেনামে আবার বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

 

পরিবেশ অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা বলেন, কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য অবস্থানগত ছাড়পত্র ও পরিবেশগত ছাড়পত্র থাকা বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে ডাইং ও ওয়াশিং কারখানায় বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) স্থাপন করতে হয়। কিন্তু অভিযানের আওতায় আসা অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই। এর পাশাপাশি কারখানাগুলোর কয়েকটি আবাসিক এলাকায় অবস্থিত, যেখানে বসতবাড়ির পাশাপাশি শিশু ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

 

অভিযানে বন্ধ করা ১০টি কারখানার মালিকদের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। যাতে এসব প্রতিষ্ঠান নতুন করে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে না পারে।

 

মাহবুব জামিল আরও বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পরও কেউ বেআইনিভাবে কারখানা চালু রাখলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে আবাসিক এলাকায় গড়ে ওঠা পরিবেশদূষণকারী কারখানার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই বিভাগের আরো সংবাদ
    © ২০২৪ বুড়িগঙ্গা টিভি কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
 
Theme Customized By BreakingNews