
প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আরও শক্তিশালী হয়ে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এর প্রভাবে তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাইসহ বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টিপাত। কোথাও কোথাও সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। পরিস্থিতি বিবেচনায় চেন্নাইয়ের স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি বাতিল করা হয়েছে বেশ কয়েকটি ফ্লাইট।
ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার (২ নভেম্বর) মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার ভোরের মধ্যে ওঙ্গোল ও এর আশপাশের দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার থাকতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। উপকূল অতিক্রমের পর ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে ঝড়টি।
চেন্নাইয়ে ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতা
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গত ২৪ ঘণ্টায় চেন্নাই ও আশপাশের জেলাগুলোতে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর মধ্যে মাধবরাম এলাকায় ১১ সেন্টিমিটার এবং এন্নোর পোর্ট ও নুঙ্গমবাক্কমে ১০ সেন্টিমিটার করে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
ভারী বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনে পাম্প মোতায়েন করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। তবে শহরের ২২টি সাবওয়ের মধ্যে মাত্র দুটিতে সামান্য জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে।
কমলা সতর্কতা, সমুদ্রে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা
ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনায় চেন্নাইয়ে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সমুদ্র উত্তাল থেকে অত্যন্ত উত্তাল হয়ে উঠতে পারে।
এ অবস্থায় উপকূলীয় এলাকার জেলেদের সমুদ্রে মাছ ধরতে নিষেধ করা হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।সম্পাদনা–সংক্রান্ত নোট: প্রকাশের আগে ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘মুরাসু’, এর অবস্থান ও পূর্বাভাস ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।